নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা নিউজ অনলাইন ২৪ ডেস্ক ১০ সেপ্টেম্বার ২০২৬ ১০:৫১ পি.এম
ছবি : পিএস নাসির উদ্দীন
নিয়োগ বাণিজ্য, ক্ষমতার প্রভাব, সম্পদ অর্জন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা অভিযোগ; তদন্তের দাবি
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের (ডিজি) একান্ত সচিব (পিএস) মো: নাসির উদ্দীনকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, প্রভাব খাটানো, রেলের জমি লিজ ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ, সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও বিয়ে-সংক্রান্ত বিরোধ—বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সরকারি তালিকায় বর্তমানে মো. নাসির উদ্দীনকে মহাপরিচালকের একান্ত সচিব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পিএস পদে দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
অভিযোগকারীদের দাবি, মহাপরিচালকের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে নাসির উদ্দীন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে এসএমএসের মাধ্যমে ওই পদে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। এ-সংক্রান্ত একটি এসএমএসের কপি থাকার দাবিও করা হয়েছে।
লেবার সর্দার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে লেবার সর্দার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুলনার সিঙ্গিয়া স্টেশনের গুডস ইয়ার্ডে মোদাচ্ছের আলীকে অস্থায়ী লেবার সর্দার হিসেবে নিয়োগের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট স্টেশন মাস্টারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগে নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ না থাকা এবং অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের ব্যবস্থা করার মতো অনিয়ম ঘটেছে। যশোর ও সিঙ্গিয়া স্টেশনেও একই ধরনের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।
সহকারী স্টেশন মাস্টার নিয়োগ নিয়েও অভিযোগ
২০১৬ সালে সহকারী স্টেশন মাস্টার পদে ২৫৭ জনের নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগ তালিকা প্রকাশের আগে নম্বরের টেবুলেশন শিট প্রস্তুত না করা এবং কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহারের মতো অভিযোগ ছিল। একজন চাকরিপ্রার্থী অর্থ দিতে না পারায় নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
রেলের জমি, লিজ ও উচ্ছেদ কার্যক্রমে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ
নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে রেলের জমি লিজ, উচ্ছেদ কার্যক্রম এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, পিএস হিসেবে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে যোগাযোগের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতেন।
তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট জমির নথি, লিজ চুক্তি, উচ্ছেদ আদেশ, নোটশিট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
সম্পদ অর্জন নিয়েও প্রশ্ন
অভিযোগকারীদের দাবি, নাসির উদ্দীনের গ্রামের বাড়িতে ব্যয়বহুল ডুপ্লেক্স ভবন রয়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তাঁর নামে বা বেনামে জমি ও প্লট থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকার দাবিও সামনে এসেছে।
এসব সম্পদের মালিকানা, ক্রয়ের সময়, অর্থের উৎস এবং তাঁর বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
বিয়ে ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে শবনমের অভিযোগ
নাসির উদ্দীনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সম্প্রতি নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে।
শবনম নামের এক নারীর দাবি, ২০২২ সালে নাসির উদ্দীনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁর অভিযোগ, ২০২৩ সালের শেষদিকে নাসির উদ্দীন তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং ভবিষ্যতে সংসার করার আশ্বাস দেন।
শবনমের ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তাঁর আগের বৈবাহিক সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন না হওয়ায় বিয়ের বিষয়টি এগোয়নি। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি প্রথম স্বামীকে তালাক দেন বলে দাবি করেন।
এরপর নাসির উদ্দীনের সঙ্গে তাঁর বিয়ের বিষয়ে আলোচনা চলতে থাকে। শবনমের দাবি, মে ও জুন মাসে কয়েক দফা আলোচনার পর তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে কাবিন ও পরবর্তী যোগাযোগ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় বলে তাঁর অভিযোগ।
বিয়ের অল্প সময়ের মধ্যেই তালাকের নোটিশ
শবনমের অভিযোগ, বিয়ের পর নাসির উদ্দীন কিছুদিন তাঁর সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ রাখলেও ২৯ জুন হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
তাঁর দাবি, ৩ জুলাই পর্যন্ত নাসির উদ্দীনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং ওই সময় তিনি পাবনা যাওয়ার জন্য টিকিটও করে দেন।
কিন্তু এর অল্প সময় পর ২ জুলাইয়ের তারিখ উল্লেখ করে তালাকের নোটিশ পাঠানো হয় বলে শবনম দাবি করেছেন।
শবনমের প্রশ্ন, বিয়ের অল্প সময়ের মধ্যে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কীভাবে তালাকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
রেল ভবনে লিখিত অভিযোগ
শবনমের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে তিনি ২৭ জুলাই তাঁর ভাইকে সঙ্গে নিয়ে রেল ভবনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
এরপর নূর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
আরও কয়েকজন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ
শবনমের পক্ষ থেকে নাসির উদ্দীনের সঙ্গে আরও কয়েকজন নারীর সম্পর্ক থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। লালমনিরহাট ও পার্বতীপুরের কয়েকজন নারীর নামও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপের কিছু কথোপকথনের স্ক্রিনশট থাকার দাবিও করা হয়েছে।
ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রেলের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি রেলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ, কাজ ও প্রশাসনিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতেন।
এমনকি রেলের বড় কাজ নির্দিষ্ট একটি সিন্ডিকেটকে পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার অভিযোগও করা হয়েছে।
ডিজির হয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ
অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, নাসির উদ্দীন রেলওয়ের মহাপরিচালকের হয়ে অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করতেন।
নাসির উদ্দীনের বক্তব্য
এসব অভিযোগের বিষয়ে নাসির উদ্দীনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকা নিউজ অনলাইন ২৪ কে জানান,
পাকশি আমার চাকরিতে প্রদান হয় ২০১৫ সালের শেষ দিকে। তখন আমি একজন প্রবেশন অফিসার।তখন আমার চাকরি স্থায়ীকরনই হয়নি। আমি ২০১৬ সালের ২৫৭ জন স্টেশন মাস্টার নিয়োগ কমিটি কিংবা কোন যাচাই-বাছাই এর কাজে আমি সম্পৃক্ত ছিলাম না।
২০২৩ সালে সিঙ্গিয়া স্টেশনের লেবার সরদার নিয়োগের বিষয়ে কোন আইনের ব্যক্তি ঘটেনি। সিঙ্গিয়া স্টেশনের লেবার সর্দার নিয়োগপ্রাপ্তির জন্য জনাব মোদাচ্ছের আলী এবং হাফিজুর রহমান টিটু নামে দুইজন লোক আবেদন করে। পূর্বে এই স্টেশনে কোন লেবার সর্দার না থাকায় আবেদনকারিদের মধ্য হতে কাকে নিয়োগ প্রদান করা উচিত সেই বিষয়ে ট্রাফিক ইনস্পেকটর দ্বারা তদন্ত করা হয়।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন,
'মোদাচ্ছের আলী প্রকৃত লেবার পরিচালনা করে থাকেন।সিঙ্গিয়া স্টেশনে তিন বছর ধরে লোডিং আনলোডিং করছেন। হাফিজুর রহমান টিটু ফেলিবার সরদার না এবং সে কোন প্রকার লোডিং আনলোডিং এর সাথে জড়িত নাই। এ বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা নাই।
তিনি সিংগিয়া স্টেশন মাস্টারের সিল নকল করে স্বাক্ষর জাল করেছেন। এটা এক প্রকার জালিয়াতি। '
অতঃপর তিনি মোদাচ্ছের আলীকে লেবার সরদার নিয়োগের সুপারিশ করেন।
তার রিপোর্টের প্রেক্ষিতে সংগিয়ার স্টেশন মাস্টার মোদাচ্ছের আলীকে সেখানে লেবার সর্দার হিসেবে নিয়োগ করেন। এখানে আমার কোন পক্ষপাতিত্তমূলক ভূমিকা ছিল না। এতে আইনের কোন ব্যক্তি ঘটেনি।
এই বিষয়ে এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি তদন্ত করেও কোন দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি।
গ্রামে আমার ডুপ্লেক্স বাংলো থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
প্রকৃতপক্ষে সেখানে উত্তরাধিকার সূত্রের প্রাপ্ত জমিতে তিন রুমের একটি টিনের ঘর রয়েছে।।
পূর্বে আমার এবং সাঈদা শবনম প্রত্যেকের আলাদা সংসার ছিল।আমাদের পরিচয় ছিল ৩ বছর কিন্তু আমাদের কোন অবৈধ সম্পর্ক ছিল না।এক পর্যায়ে আমরা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সাঈদা শবনম আমাকে একটা ডিভোর্স ডকুমেন্ট দেখিয়ে বললেন, তার আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন।
সেই সুবাদে আমরা বিয়ে করি।কিন্তু বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই জানতে পারি শবনম তার স্বামীকে সঠিক ভাবে ডিভোর্স দেননি।তিনি এপ্রিল মাসে কোন এক সময়ে তার স্বামীকে জানুয়ারির ১১ তারিখে ব্যাক ডেটে ডিভোর্স এর প্রাথমিক নোটিশ করে আমাকে দেখিয়েছেন।
ডিভোর্স এর নোটিশ স্বামী এবং পৌর চেয়ারম্যান কে পাঠানোর আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলেও তিনি তা করেননি। বরং আইন অমান্য করে তা নিজের কাছে লুকিয়ে রেখেছেন।
অবশেষে মে মাসের ১৭ তারিখে তিনি ডিভোর্স নোটিশ রেজিস্টারড এডি যোগে তার স্বামীর নিকট পাঠান। আইনে এর ব্যাখ্যা দাঁড়ায়- ১৭ মে তে প্রাথমিক নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পর অর্থাৎ ১৭ আগস্ট তার আগের স্বামীর সাথে ডিভোর্স কার্যকর হবে। তার মানে হল উনি এখন আগের স্বামীর স্ত্রী।আবার বিবাহ সুত্রে আমার ওয়াইফ।বাংলাদেশে প্রচলিত আইন এবং মুসলিম আইনে এটা কোন ভাবেই অনুমোদিত নয়।
আমাদের বিয়ের কিছুদিন পর একজন লোক আমাকে জানায় আমি তার আগের স্বামী রুপন এর স্ত্রীকে অন্যায় ভাবে বিয়ে করেছি।এজন্য রুপন আমার নামে মামলা করবে। সেই ব্যাক্তি এক পর্যায়ে এই বিবাদ মিটিয়ে দেয়ার আশ্বাসে আমার নিকট ৮০ লাখ টাকা দাবি করে।
আমি বিপদ আচ করতে পেরে একজন উকিলের স্মরনাপন্ন হলে তিনি আমাকে পরামর্শ দেন,আমি যেন শবনম কে ডিভোর্স দিয়ে বিষয়টি সেটেল করে ফেলি। আমি আইনি পরামর্শ মোতাবেক সাঈদা শবনম কে মুসলিম পারিবারিক আইন মোতাবেক ডিভোর্স প্রদান করি।
এ সকল বিষয়ের সকল ডকুমেন্টস আমার জিম্মায় রয়েছে। প্রয়োজনে আদালতে প্রদর্শন করা হবে।
পারিবারিক ভাবে বিষয়টি সমাধান করার জন্য আমরা একবার বৈঠক করেছি; আমাদের আলোচনা চলমান আছে।
রেলের ডিজির পিএস নাসির উদ্দীনকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড়
রাজস্ব ফাঁকি থেকে ঘুষ-দুর্নীতি: ডিএসসিসিতে প্রশাসকের ‘জিরো টলারেন্স’ কতটা কার্যকর?
ভাওতাবাজির শীর্ষে মীর হাজিরবাগের আরিফুল ইসলাম—রাজউকে অভিযোগ, উঠছে নানা প্রশ্ন
আধ্যাত্মিকতা ও জ্ঞান সাধনার অনন্য কেন্দ্র "চন্দ্রপাড়া পাক দরবার শরীফ"
গোলাপবাগে রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ১০ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ
রাজধানী ডেমরার ডেভেলপারদের নয়নমণি "রমজান মাস্টারের" রূপসী পল্লী টাওয়ার-১৫ কি রাজউকের সমস্ত নিয়ম মেনেই তৈরি হচ্ছে?
হোটেল-রেস্তোরাঁর ধোঁয়ায় বায়ুদূষণের অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ
মীর হাজীরবাগে রাজউকের অনুমোদিত নকশার বাইরে ইমারত নির্মাণের অভিযোগ
পার্বত্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তৎপর রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
ভাইরাল ভিডিও বিতর্ক: প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে দাবি এমপি গাজী নজরুল ইসলামের
বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার সেলিম প্রধান
একযোগে ৩৪ বিচারককে বদলি ও ৪ জনের পদোন্নতি
শাপলা চত্বর মামলা: একাত্তর টিভির লাইসেন্স ও নথি তলব
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত