অনলাইন ডেস্ক ০৮ আগষ্ট ২০২৬ ০৪:২৯ পি.এম
ছবি : সংগৃহীত
পরিকল্পিত নগরায়ন ও আবাসন খাতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ‘তদারকির ঘাটতি রয়েছে’ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।
ভবন নির্মাণে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরেছেন তিনি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে শনিবার সকালে ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত "ডুরা সংলাপ: ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দেশ : আমাদের করণীয়" শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি কথা বলছিলেন।
ভবন নির্মাণে রাজউকের ‘দুর্বল উপস্থিতির’ কথা তুলে ধরে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পিত নগরায়ন বা আবাসন নিয়ে রাজউক কাজ করে। শুরু থেকেই এই সেক্টরের অবস্থা এমন। আমি কাউকে দোষারোপ করতে চাই না। হয়ত কোনো একসময় অনিয়ম বেশি হয়েছে। তবে ধারাবাহিকভাবেই আজকের এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
“রেগুলেটরি ইস্যুতে রাজউকের দুর্বল উপস্থিতি রয়েছে। আমি বলব, অন্তত এই ‘দুর্বল উপস্থিতি’ দিয়ে যে কাজ শুরু করতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে বিরাট এক অর্জন।”
তিনি বলেন, “একসময় শুধু আর্কিটেকচারাল প্ল্যান দিয়েই বিল্ডিং হয়ে যেত। ফায়ার সেফটি, ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল বা সিভিল স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং লাগত না। এই পরিস্থিতিই তখন ছিল। কিন্তু এখন সেই ত্রুটিগুলো রিমুভ করার বা রেট্রোফিটিং করার দায়িত্ব আমাদের ওপর এসেছে।”
ভবন নির্মাণে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, “প্ল্যান বা ডিজাইন তো আপনাদের এন্ড থেকেই আসে, রাজউক শুধু অনুমোদন দেয়। পৃথিবীর কোনো দেশে কি পুলিশিং করে বাড়িঘর তৈরি করা সম্ভব? একটা বিল্ডিংয়ের মিটার নিয়ে আমরা কী করব? এটা সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়। আমরা একটা গাইডলাইন দিতে পারি। কিন্তু তারা অবৈধভাবে পাশের বাড়ি থেকে মিটার আনে, অথবা মিটার হারিয়ে গেছে বলে জিডি করে নতুন মিটার আনে। এটা তো পাবলিক এন্ডের অবস্থা।”
তিনি আরও বলেন, “একটা বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কাটতে গেলে তারা আবার চুরি করে লাগায়, কোর্টে যায়। তাহলে একটা বাড়ির পেছনে কি আমাকে একজন করে ইন্সপেক্টর লাগিয়ে রাখতে হবে? এত লক্ষ ইন্সপেক্টর আমি কোথায় পাব? এই চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করতে হচ্ছে।”
অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আবাসন প্রকল্প গড়ে ওঠার সমালোচনা করে ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, "দুর্বল মাটির ওপর ইঞ্জিনিয়ারিং প্রয়োগ করে যতই সবল ভবন বানানো হোক না কেন, ৭ মাত্রার ভূমিকম্প লাগবে না, সাড়ে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হলেই সেগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।"
তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রকে শুধু পরিদর্শন বা অভিযোগ দায়েরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; রাষ্ট্রের এনফোর্সমেন্ট বা প্রয়োগ ক্ষমতাকে এমন শক্তিশালী জায়গায় নিতে হবে, যেন কোনো দুর্বৃত্ত দুর্বল মাটির ওপর ভবন নির্মাণ বা প্রকল্প নেওয়ার সাহসই না পায়।"
ডুয়ার সভাপতি শাহজাহান মোল্লার সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেহেদি হাসান আনসারি।
সুন্দরবনের ‘নানা ভাই’ বাহিনীর প্রধানসহ ১২ জনের আত্মসমর্পণ
কুমিল্লায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস বেদখলের পাঁয়তারা: স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ
আশুলিয়ায় বন্ধ ঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের লাশ উদ্ধার
জাতীয় গ্রিডে স্বস্তি দিচ্ছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
কাকডাকা ভোরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল
সড়ক প্রশস্তকরণের প্রকল্প নেই, তবু কাটা হচ্ছে সাড়ে চার হাজার গাছ
ক্রিকেটার শফিউলের মা আর নেই
প্রতিটি বাড়িঘর ‘পাহারায় রাখা’ সম্ভব নয়: রাজউক চেয়ারম্যান
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৭ জন নিহত
রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় অনুষ্ঠান বয়কট বিএনপির
গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের